অবশেষে চাহিদা কমেছে তরমুজের

হঠাৎ খুলনার বাজারে চাহিদা কমেছে তরমুজের। ক্রেতা সংকটের কারণে লোকসানের মুখে পড়েছেন তরমুজ ব্যবসায়ীরা।প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে রমজানের শুরুর দিকে গ্রীষ্মের সরস ফল তরমুজের চাহিদা ছিল আকাশ ছোঁয়া। তখন বাজারে দামও ছিল অনেক বেশি। সাধারণ ভোক্তার নাগালের বাইরে চলে যায় মৌসুমি এ ফলটি।

রোজার শেষ দিকে এসে খুলনায় বৃষ্টি হওয়ায় তাপদাহ কমে গেছে ও পিস হিসেবে না কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি হবে তা নিয়ে দেশব্যাপী তুঘলকি কাণ্ড ঘটে যাওয়ায় অনেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তরমুজ না কেনার। এতে তরমুজের বিক্রি কমে গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নানা কারণে তরমুজের চাহিদা কমে গেছে। ক্রেতা কমে যাওয়ার কারণে পাইকারি দোকানে মজুদ করা তরমুজে পচন ধরতে শুরু করেছে। খুলনার আড়তে প্রতিদিন দু’লাখ তরমুজের চাহিদা ছিল। যার ন্যূনতম মূল্য এক কোটি টাকা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, খুলনা জেলায় মোট ৭ হাজার ৫১২ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়। স্থানীয় চাষিরা খুলনার তরমুজের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।

হঠাৎ কেন তরমুজের চাহিদা কমে গেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগরের তারের পুকুর পাড়ের খুচরা তরমুজ বিক্রেতা রুহুল আমিন বলেন, প্রচণ্ড তাপদাহ কমে গেছে। এছাড়া রোজাও শেষের দিকে আসায় মানুষ এখন পোশাকের মার্কেটমুখী। যে কারণে তরমুজের চাহিদা কমে গেছে।

কেজি না পিস আকারে বিক্রি করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দু’ভাবেই বিক্রি করি।আল-আমিন নামে পাশের দোকানের তরমুজ ব্যবসায়ী বলেন, তরমুজের দাম কমিয়ে দিয়েও বিক্রি হচ্ছে না। কয়েকদিন আগের যা বিক্রি হতো এখন তার অর্ধেকও হচ্ছে না। তরমুজের চালান কমিয়ে আনতে হবে। দোকানে যা আছে তাই বিক্রি করতে পারলেই বাঁচি।