অবশেষে স্বীকার করলো মামুন: রাতে বের হওয়ার আগে খায়রুনকে লাথি মেরেছিলেন তিনি

সম্প্রতি কলেজছাত্র মো. মামুন হোসেনকে (২২) বিয়ে করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় আসা সেই কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারের (৪০) আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে গোটা নাটোর-জুড়ে বইছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এর আগে গত রোববার (১৪ আগস্ট) নাটোর শহরের একটি চারতলা বাড়ি থেকে খাইরুন নাহারের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এদিকে এ ঘটনায় স্বামী মামুন হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

দিয়েছেন আদালত।সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৬টায় জেলা আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দিনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।এদিকে এ ঘটনায় স্বামী মামুন হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৬টায় জেলা আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দিনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে গত রোববার সকাল ৭টার দিকে নগরীর বল্লারীপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে খায়রুন নাহারের লাশ উদ্ধারের পর মামুনকে আটক করা হয়।

মৃত শিক্ষককে মুছে ফেলুন। চাঁচকৈদ পৌর এলাকার গুরুদাসপুর উপজেলার খায়রুন নাহার। খায়ের উদ্দিনের মেয়ে ও উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো.গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মামুন (২২)। সে নাটোরের এনএস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, রোববার (১৪ আগস্ট) সকালে লাশ উদ্ধারের পর মামুনকে আটক করা

হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।মামলার তদন্ত চলছে দাবি করে তিনি বলেন, মামুনের বিষয়ে আদালত আদেশ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী মামুন তাদের দাম্পত্য কলহের কথা স্বীকার করেছেন। মামুন বলেন, শনিবার রাত ২টার দিকে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হলে সে খায়রুনকে লাথি মেরে বাইরে চলে যায়।

এরপর শিক্ষক খায়রুন নাহার একাধিকবার ফোন করলেও মামুন ফোন রিসিভ করেননি। মামুন বলেন, খায়রুন নাহার রাগে আ/ত্ম/হনন করেছে। ওই দিন রাত ২টা থেকে ৬টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থানে মামুনের ঘোরাফেরার খবর পায় পুলিশ।এদিকে জিজ্ঞাসাবাদে মামুন দাবি করেছেন, রাতে বাসা থেকে বের হওয়ার পর শেষরাতে আবারও তিনি বাসায় ফেরেন। তবে ফিরে এসে দেখেন খাইরুন নাহার ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। এ অবস্থায় হাতের কাছে ধারালো কিছু না পেয়ে দেশলাইয়ের আগুন দিয়ে খাইরুন নাহারকে নামিয়ে আনেন তিনি।