ঝড়ের কবলে মিথিলা

রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। অভিনয়ের পাশাপাশি চাকরিও করেন এই অভিনেত্রী। ইন্টারন্যাশনাল এনজিও সংস্থা ‘ব্র্যাক’-এর আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপম্যান্ট বিভাগের প্রধান তিনি। চাকরির সুবাধে বিভিন্ন জায়গা যেতে হয় এই অভিনেত্রী। সে কারণেই গত দুই সপ্তাহ তিনি উগান্ডায় বিভিন্ন ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, ফিল্ড ভিজিট করেন।কাজ শেষে শুক্রবার রাতেই সিয়েরা লিওন থেকে কলকাতায় যাওয়ার ফ্লাইট ছিল।

কিন্তু সেখানেই ঘটে বিপত্তি। মিথিলা জানান, সেদিন বিকালবেলা থেকেই প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি। সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রি টাউন আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে। ফ্রি টাউন থেকে ১ ঘণ্টা একটা ছোট ফেরিতে আটলান্টিক পার হয়ে লুংগি এয়ারপোর্টে যেতে হয়। আটলান্টিকে সেদিন তিনি ঝড়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন।মিথিলা বলেন, ঝড় বৃষ্টির কারণে একটু বেশিই চিন্তিত ছিলাম।

আমার ফেরির টাইম ছিল রাত দু’টায়। এ ঝড়ের মধ্যেই আটলান্টিক পাড়ি দিতে হয়েছে। ঝড়টা হয়তো বড় ছিল না। কিন্তু আমাদের ফেরির যে সাইজ, তাতে করে সেটা নিয়ে আমার ভয় হয়েছে প্রচুর।গন্তব্যে পৌঁছে ফেরি থেকে নেমে টার্মিনাল পর্যন্ত বৃষ্টির মধ্যে দৌড়ে যেতে যেতেই ভেজা কাক হয়ে গেলাম। তারপর একটা বাসে চড়ে লুংগি এয়ারপোর্টে পৌঁছাতে বাজলো ভোর ৪টা। পরে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পেরিয়ে ঢাকায় আসেন তিনি।

মিথিলা আরো বলেন, এ গল্পটা শেয়ার করেছি শুধু তাদের জন্য যারা শুধু সুন্দর ছবিগুলোই দেখে, তার পেছনের কঠিন সময়ের গল্পগুলো জানেন না। এই যে, গত তিন সপ্তাহ ধরে মেয়েকে বাড়িতে রেখে হাজার হাজার মাইল বিভিন্ন দেশে, শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে জার্নি করে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করা, সেটা নিতান্তই জীবিকার তাগিদে; আমোদ ফুর্তির জন্য নয়। সবসময় সুন্দর ছবি আর ভালো কথাগুলো শেয়ার করি, কারণ আমি যা কিছু ভালো, আর পজিটিভ সেটাই ভাগ করে নিতে চাই।