বিয়ের আসরে ‘মারামারিতে’ জড়ালেন বর-কনে!

বিয়ের অনুষ্ঠানে বিশ্বজুড়ে কতশত অদ্ভুত রীতিনীতি দেখা যায়। তার কোনো কোনোটি পালন করতে গিয়ে উদ্ভট কাণ্ডকারখানা ঘটানোর নজিরও কম নেই। সম্প্রতি এমনই একটি রীতি মানতে গিয়ে রীতিমতো সবার সামনে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছেন বর-কনে। সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তার ভিডিও। ঘটনাটি ঘটেছে প্রতিবেশী দেশ নেপালে।ভাইরাল সেই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, বিয়ের পোশাকে

মণ্ডপে বসে রয়েছেন বর ও কনে। কয়েক মুহূর্ত পরে তারা একজন আরেকজনকে খাবার খাইয়ে দেওয়ার রীতি পালন শুরু করেন। আর সেটি করতে গিয়েই তুমুল হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুজন। একপর্যায়ে কনে রীতিমতো বরের গায়ের ওপর উঠতে গিয়ে পাশে গড়িয়ে পড়ে যান। তবে সেসময় বরকে হাসিমুখেই দেখা যায়।ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে ৭০ হাজারের বেশি রিঅ্যাক্ট পড়েছে। মন্তব্য করেছেন বহু মানুষ।একজন

অবাক হয়ে লিখেছেন, কী ঘটছে এখানে? বিষয়টি ব্যাখ্যা করে আরেকজন বলেন, বর-কনে কে কাকে আগে খাওয়াতে পারে, এটি সেরকম একটি প্রতিযোগিতার রীতি। এরা শুধু একটু বেশিই করে ফেলেছে।তৃতীয় এক ব্যক্তি মজা করে লিখেছেন, তারা অন্তত হোটেলে ফেরা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারতো! চতুর্থ একজনের মন্তব্য, ভালোই, আজীবনের প্রতিশ্রুতি শুরুর এটিও একটি উপায়!

আরো পড়ুন> আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দেশে কোনো সংকট নেই, সংকট আছে বিএনপিতে এবং তাদের নেতৃত্বে ও সিদ্ধান্তে। তিনি রোববার সকালে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে বিএনপি মহাসচিবের নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকটের কথা বলেছেন তার জবাবে এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতাদের চাওয়া আর আবদারের

কোনো শেষ নেই। তারা কখনো নিরপেক্ষ সরকার, কখনো নির্বাচনকালীন সরকার, আবার কখনো তত্বাবধায়ক সরকার এবং মাঝে মাঝে জাতীয় সরকার নিয়ে কথা বলেন। আসলে বিএনপি নেতারা কি চান তা তারা নিজেরাও জানেন না। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবারও বলেন, নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে, সরকারের অধীনে নয়; সরকার শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবে।তিনি

বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচনকালে স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার। ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে কথা বলছেন, সেটি একটি মীমাংসিত বিষয়। সুতরাং এ নিয়ে নতুন করে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই।