মাকে জড়িয়ে ধরে আবেগে ভেঙে পড়লেন মেসি

শেষ বাঁশি বাজতেই লিওনেল মেসি হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন, কোপা আমেরিকায় যেমন বসে পড়েছিলেন। সতীর্থরা যে তাকে ঘিরে ধরবেন, তা জানাই ছিল। সে আবেগের রেশটা তখনো কাটেনি। তার মা সেলিয়া মারিয়া কুচিত্তিনিও এসে জড়িয়ে ধরলেন তাকে। লুসাইল স্টেডিয়ামে তখন নেমে এলো দারুণ এক আবেগী মুহূর্ত।মাঠের ফুটবলে তিনি যেমনই হন না কেন,

মাঠের বাইরে যে পরিবারই তার সব, সেটা মেসির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দেখলেই ঠাহর করা যায়। আজও দেখা মিলল তেমন পরিস্থিতির, শিরোপা জিতেই পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করতে ভুললেন না।তার মা সেলিয়া মারিয়ার দেখা মিলল এক পর্যায়ে। আর্জেন্টিনার জার্সি পরে ভিআইপি গ্যালারিতে তিনি ছিলেন,

দেখছিলেন আকাশি-সাদাদের, তার ছেলের খেলা। শিরোপাজয়ের পর আর কালক্ষেপন করেননি তিনি। নেমে আসেন মাঠে।ছেলের সাফল্য তো বটেই, তার দেশও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছে; আবেগটা তাকেও ছুঁয়ে গিয়েছিল বৈকি! এসেই মেসিকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছিল, মেসি তো বটেই, কাঁদছিলেন তিনিও। কাঁদবেনই বা না কেন? তার সন্তানের আজন্ম সাধ যে পূরণ হয়ে গেছে একটু আগেই!

আরও পরুনঃ ৩৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেসির আর্জেন্টিনা মন্টিয়েল পেনাল্টি থেকে যখন গোলটি দিলেন বুয়েন্স আয়ার্সে তখন বিকেল। সেই বিকেলের সূর্য আর্জেন্টিনায় ডুবলেও উঠেছে সারা বিশ্বে, বিশ্ব ফুটবলে। আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন।৩৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন হলো আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের মুকুট পড়লো আর্জেন্টিনা। মেসি পেলেন তার

সেই অধরা ট্রফিটি।প্রথমার্ধের ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও এমবাপের দুই মিনিটের ম্যাজিকে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-২ এ সমতায় থেকে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ করে ফ্রান্স৷ অতিরিক্ত সময়েও চলে নাটক।এবার মেসির গোলে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেলেও এমবাপে গোল করলে ৩-৩ সমতায় থেকে টাইব্রেকারে যায় ম্যাচ। সেখানেই জয় লাভ করে আর্জেন্টিনা। শুরুটা আর্জেন্টিনা করেছিল দুর্দান্ত।ম্যাচের ৪ মিনিটে ডি পল

এবং আলভারেজের দারুণ বোঝাপড়ায় ডি পলের বাড়ানো বলে আলভারেজ শট নিলেও রেফারি অফসাইডের সিদ্ধান্ত দেন। ৬ মিনিটে ম্যাক এলিস্টারের দূরপাল্লার শট সোজা তালুবন্দি করেন ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক লরিস। এর ঠিক ২ মিনিট পর আবারও আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা।এবার ডি পল ডি বক্সের বাইরে থেকে জোড়ালো শট নিলে ফ্রেঞ্চ ডিফেন্ডার ভারানের পায়ে লেগে বল বাইরে চলে গেলে কর্নার পায় আর্জেন্টিনা। অবশ্য সেই কর্নার কাজে লাগাতে পারেননি আলবিসেলেস্তারা।১৬ মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। এবার ডি পলের ডান পাশ