মুনিয়ার ডায়েরিতে যা ছিল !

রাজধানীর গু-লশানে একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার (২১) ঝুল-ন্ত মরদেহ উ-দ্ধারের ঘ-টনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে চা-ঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তার বড় বোন ও মামলার বাদী নুসরাত জাহান। নুসরাত পু-লিশের কাছে মুনিয়ার লেখা একটি ডায়েরি জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে এ ডায়েরি থেকে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে।

এজাহারে বলা হয়েছে, মুনিয়ার লেখা প্রেম কাহিনির ডায়েরি পুলিশ হেফাজতে নেয়। এতে আরও বলা হয়েছে, মোসারাত জাহান (২১) মিরপুর ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষা-র্থী।

দুই বছর আগে মামলার আসামির সঙ্গে মোসারাতের পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন এবং সব সময় মোবাইলে কথা বলতেন। একপ-র্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্প-র্ক গড়ে ওঠে।

এজাহারে আরও বলা হয়, বোনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তাকে বিয়ে করে বিদেশে স্থায়ী হবেন। কারণ, দেশে থাকলে আসামির বাবা-মা আসামিকে কিছু না করলেও তার বোনকে মেরে ফেলবেন। ১ মার্চ থেকে আসামি মাঝে মাঝে ফ্ল্যা-টে আসা-যাওয়া করতেন।

রাজধানীর গু-লশা-নের ১২০ নম্বর রোডের ওই বাড়িতে গেল মাসের ১ তারিখে ও-ঠেন মুনিয়া। বাসাটির ভাড়া ছিল ১ লাখ টাকা। বাসায় একাই থাকতেন কলেজছাত্রী মুনিয়া। খবর পেয়ে সোমবার স-ন্ধ্যায় বাসার তিন তলার ফ্ল্যা-ট থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অব-স্থায় ঝুল-ন্ত লা-শটি উদ্ধার করে গু-লশান থানা পুলিশ।

এ ঘ-টনায় আইনগত বিষয় বিবেচনা করে দ্রু-ত ব্যব-স্থা নেওয়ার কথা জানায় পুলিশ। স-ম্প্রতি ওই শি-ল্পপতির সঙ্গে মু-নিয়ার মনোমালিন্যের কারণেই এ আ-ত্মহ-ত্যা ঘ-টতে পারে বলে প্রাথ-মিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।