যে কারণে ভেঙে দেওয়া হলো হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি

নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত বছরের ১৫ নভেম্বর কমিটি ঘোষণার ৫ মাসের মধ্যেই ভেঙে দেওয়া হলো এই কমিটি। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

কেউ বলছেন, হেফাজতে ইসলামের নেতারা জনসভা-ওয়াজ মাহফিলে রাজা উজিড় মারার কথা বললেও সরকারের ধর-পাকড়ে শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছেন। কেউ বলছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আপাতত কিছুদিন চুপচাপ থেকে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে তারা আবারও সক্রিয় হবেন রাজনীতিতে। যেমনটি ঘটেছিল ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে সহিংস ঘটনাপ্রবাহের পর।

মূলত দুটি কারণে হেফাজতের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রথমত: গ্রেফতার, মামলা ও ধরপাকড় এড়াতে। দ্বিতীয়ত: চাপে পড়ে অনেক নেতা পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছেন। দলে ভাঙন ঠেকাতে জরুরিভিত্তিতে কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হেফাজতের শীর্ষ নেতারা।

আরও পড়ুন=প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে পরিবারের অনেক সদস্য। আক্রান্ত হয়েছেন শ্বশুরবাড়ির অনেকেও। তাই মাঝপথেই আইপিএল ছেড়েছেন দিল্লি ক্যাপিটলসের তারকা ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

গতকাল রবিবার (২৫ এপ্রিল) টুইটারে টুইট করে তিনি নিজেই জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে দ্রুত খেলার মাঠে ফিরবেন। এদিকে অশ্বিনের বিদায় নেওয়ার এই খবরে রীতিমতো ধাক্কা খেয়েছে তার দল।

সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে জয়ের পরই অশ্বিন টুইটারে জানান, ‘চলতি বছরের আইপিএল থেকে আমি বিরতি নিচ্ছি। আমার নিজের পরিবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এই কঠিন সময়ে আমি তাদের পাশে থাকতে চাই। সব ঠিক হয়ে যাওয়ার পর আমি আবার খেলার মাঠে ফিরব।’এদিকে ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছে দুই হাজার ৮০৬ জন।