স্বামীকে সুবিধা, মন্ত্রীকে বহিস্কার করলেন এরদোয়ান!

স্বামীর কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে বাণিজ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বুধবার এক ডিক্রির মাধ্যমে তিনি রুশার পিক্যানকে বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করেন বলে খর দিয়েছে রয়টার্স।

ডিক্রিতে বরখাস্তের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে রুশার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে এরদোয়ানের একে পার্টির প্রভাবশালী এমপি মেহমেত মুসকে। ডিক্রির মাধ্যমে আরও দুটি মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী নিয়োগের কথা

জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। তারা হলেন, পরিবার ও সামাজিক রীতি মন্ত্রণালয়ে দেরিয়া ইয়ানিক এবং শ্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন ভেদাত বিলগিন। আগে এ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন জেহেরা জুমরুত সেলকাক।

নতুন বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেত মুস ২০১১ সাল থেকে একে পার্টির এমপি এবং দলটির অর্থনীতি বিষয়ক কমিটির উপ-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিরোধী রাজনীতিকরা সম্প্রতি রুশার পিক্যানের মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন, তিনি পাবিারিক প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়তি মূল্যে সরকারি সরঞ্জাম কিনেছেন।

তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে স্যানিটাইজার কেনার কথা নিশ্চিত করে এবং তা সর্বনিম্ন দরদামের ভিত্তিতে; কোনো কোম্পানির নামের ওপর ভিত্তি করে কেনা হয়নি। প্রায় ৫ লাখ লিরা মূল্যে পণ্যটি সব নিয়মনীতি মেনেই কেনা হয়েছে বলে জানান রুশার পিক্যান।

গত নভেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে সরিয়ে দেওয়ার পর এক রাতের মধ্যে এরদোয়ান তিন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা করলেন। অবশ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে সরিয়ে দেওয়ার পর লিরার দাম পড়ে যাওয়ায় এরদোয়ানের কড়া সমালোচনা করছেন দেশটির অর্থনীতিকরা।